August 2, 2026, 9:46 pm
সংবাদ শিরোনাম
মানবিক সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখা’র কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের হরিপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​ রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায়; ছেলের গ্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনে সাংবাদিকদের মিষ্টিমুখ করালেন পিতা মোঃ জমির উদ্দিন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনারের সাথে বিশ্বনাথ বার্তার সম্পাদক রাজনের সৌজন্য সাক্ষাত যুক্তরাজ্যে বিশ্বনাথের ইসমাইল হোসেন সিরাজ উদ্দিনের গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রী লাভ যুক্তরাজ্যে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আয়োজন ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের তরুণদের মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু যুক্তরাজ্যে ভিত্তিক ‘‘দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’’ এর উদ্যোগে নেটওয়ার্কিং ও আলোচানা সভা অনুষ্ঠিত

ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সুবিধাভোগী মাসুদ: ৫ আগস্টের পর বিএনপির আস্থাভাজন নেতার ঘনিষ্ঠ, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর নাম উঠে এসেছে—মাসুদ। সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হলেও ৫ আগস্টের পর বিএনপির কিছু স্থানীয় নেতার ছত্রছায়ায় তার প্রভাব বজায় থাকা নিয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন ফুঁসছেন।

ভোটের নামে জালিয়াতি ও ক্ষমতাধরদের সাথে ঘনিষ্ঠতা

মাসুদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি হলো নির্বাচনী গণতন্ত্রকে পদদলিত করা। স্থানীয় সূত্র এবং এলাকাবাসীর বক্তব্য অনুযায়ী:

২০১৮ সালের ডামি নির্বাচন: মাসুদ তার এলাকা ইদলপুর ভোট সেন্টারে ২০১৮ সালের ‘ডামি’ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এজেন্ট ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফারুক চৌধুরীর নির্দেশে একাই ব্যালট পেপারে প্রায় ৩০০ সিল মেরেছিলেন। এই ভোট ডাকাতির বিষয়টি আজও এলাকাবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে রেখেছে।

২০২৪ সালের অভিযোগ: একইভাবে, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও ফারুক চৌধুরীর নির্দেশে দিনের ভোট রাতে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

ক্ষমতাধরদের সাথে সখ্যতা: মাসুদ কেবল ফারুক চৌধুরীর নৌকার পক্ষেই কাজ করেননি, তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেলের সাথেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলতেন। তিনি প্রকাশ্যে দাবি করেন, “আমি যদি এখনো সোহেলের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাই বলার সাথে সাথে দিয়ে দিবে। আর আকতার চেয়ারম্যানকে যা বলবো তাই শুনবে আমি যেখানে যখন শুবিধা পাবো আমি সেখানেই যাবো। আমার কেও কিছু করতে পারবেনা। আমার কাছ থেকে সবাই সুবিধা পাই, আমি সবাইকে টাকা দিয়ে চলি তাই আমার কোনো প্রকার সমস্যা হবেনা।

বিএনপির বিজয় ছিনতাইয়ের অভিযোগ

মাসুদের বিরুদ্ধে শুধু ভোট জালিয়াতির অভিযোগই নয়, বিএনপির বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে:

২০১৮ সালের ওই নির্বাচনে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি নেতা নাসিরুদ্দিন বাবু বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করলেও, ফারুক চৌধুরীর নির্দেশে আক্তারুজ্জামান আকতারের মাধ্যমে তাঁর বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এই কাজে মাসুদ ও অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মূল সহযোগী ছিলেন বলে অভিযোগ।

আন্দোলন-সংগ্রামে সহিংসতার সংশ্লিষ্টতা

নির্বাচনী কারচুপির পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ও মাসুদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ ২০১৮ সালের বিএনপির কর্মসূচিতে সহিংসতার সাথে জড়িত ছিলেন।৫ আগস্টের পর কেন বিএনপির ‘আস্থাভাজন’?

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়টি হলো ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর মাসুদের ভূমিকা। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত ও ভোট ডাকাতির মূল হোতা হওয়া সত্ত্বেও, কিছু স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সহযোগিতায় তিনি এখনো দেওপাড়া ইউনিয়নসহ গোটা গোদাগাড়ী উপজেলায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন:

মাসুদ আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত ভাবে জড়িত থাকলেও, প্রশাসন এখনো তাকে গ্রেফতার করছেন না কেনো?

বিএনপি নেতাকর্মীদের ক্ষোভ:

এমন ব্যক্তির বিএনপির সহযোগিতায় এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাকে কেনো এখনো এরেস্ট করছে না প্রশাসন?

গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন সোচ্চার। তাঁদের দাবি:

মাসুদকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

মাসুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই ভোট জালিয়াতি

এবং ক্ষমতাধরদের সাথে তার সম্পর্কের বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তাঁরা মনে করছেন।

মাসুদের এই প্রভাব এবং কিছু স্থানীয় বিএনপি নেতার সাথে তার সখ্যতা গোদাগাড়ীর রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​

আমাদের পেজ লাইক করুন

রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​