আলহাজ্ব সরকার টুটুল তাড়াশ :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ব্যাংক এশিয়ার গাফিলতির কারণে ওই ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা গত তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ১৫ হাজার ভাতাভোগী। ব্যাংক এশিয়া
সূত্রে জানা গেছে পূর্বে খোলা ভাতা ভোগীদের হিসাবে এনআইডি, ছবি ও অন্যান্য তথ্য সংযুক্ত না করার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র মতে এ উপজেলায় প্রায় ২৩ হাজার ৫ শত ভাতা ভোগী রয়েছেন। এরমধ্যে ১৫ হাজার ভাতা ভোগী ব্যাংক এশিয়া থেকে ভাতা গ্রহণ করেন।
সরকারি ভাতার ওপর নির্ভরশীল অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভাতা না পাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাসহ দৈনন্দিন খরচ মেটাতে তাঁদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাই বুধবার ব্যাংক এশিয়ার
শাখা গুলোতে পাস বই ঠিক করার জন্য তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। আর এর জন্য তারা ব্যাংক এশিয়ার গাফিলতিকেই দায়ী করছেন। এদিকে সগুনা ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর বাজারের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট জাহিদুল ইসলাম সমস্যাটি সমাধান করে দেয়ার কথা বলে ভাতা ভোগীদের নিকট থেকে তিন শত টাকা করে দাবি করেছেন বলে একাধিক ভাতাভোগী অভিযোগ করেছেন। ব্যাংক এশিয়ার তাড়াশ উপজেলার সহকারি রিলেটিভ অফিসার রাজু আহমেদ বলেন, ভাতা ভোগীদের ভোগান্তি অবসানে আমরা কাজ করছি
আর এজেন্ট জাহিদুলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, আজ আমার কার্যালয় শতাধিক ভাতা ভোগী এসেছিল। আমি ব্যাংক এশিয়ার সাথে কথা বলেছি যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো কোনভাবেই কষ্ট পেতে পারে না। বিষয়টি সম্পর্কে ব্যাংক এশিয়া কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দ্রুত সমাধানের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।