আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস: প্রান্তিক নারীর অধিকার ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের স্মরণে
আজ আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণশক্তি হলো আমাদের গ্রামগঞ্জের মেহনতী নারীরা। ভোরের আলো ফোটা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত মাঠে-ঘাটে, পরিবারে ও কুটির শিল্পে যাঁদের শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি, তাঁদের অবদানকে শ্রদ্ধা জানানোর দিন আজ।
বাংলাদেশের ইতিহাসে গ্রামীণ নারীদের ভাগ্যোন্নয়ন, মর্যাদা প্রদান এবং সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী তৈরিতে শেখ হাসিনার অবদান অবিসংবাদিত। বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’-এর মাধ্যমে নারীর নামে ঘরের মালিকানা নিশ্চিত করা, ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং তৃণমূলের কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন।
বর্তমান সময়ে গ্রামীণ নারীরা নানা ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে মনে করেন দেশের নারী সমাজের একটি অংশ। বিশেষ করে গ্রামীণ সামাজিক নিরাপত্তার ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং নারী উদ্যোগের ক্ষেত্রে যে গতি তৈরি হয়েছিল, তা বজায় রাখার তাগিদ অনুভূত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে নারী সমাজের একটি অংশের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রামীণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করেছিল। ফলে আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক নারী গোষ্ঠীর মধ্যে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি এক ধরনের প্রত্যাশা ও আস্থা লক্ষ করা যায়। তাঁদের বিশ্বাস, প্রান্তিক নারীদের সার্বিক অধিকার রক্ষা ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার দূরদর্শী নীতি ও ভূমিকা সবসময় প্রাসঙ্গিক।