June 10, 2026, 9:37 am
সংবাদ শিরোনাম
মোকামতলায় জোড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার। সিরাজগঞ্জ তাড়াশে অগ্নিকাণ্ডে পুরে ছাই ‘সমকাল পত্রিকা’ অফিস মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবরে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি প্রদান কোতয়ালী থানার সুইপার কলোনীতে অভিযান, গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি গাজীপুরে নারী গ্যারেজ মালিককে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজিয়ে অপপ্রচার, থানায় অভিযোগ রংপুর কোতয়ালী থানার অভিযানে টিউবওয়েল-ফ্যান ও বৈদ্যুতিক তার সহ চোর আটক  লন্ডনের টিউব স্টেশনে নির্মম হামলা: ৪ কিশোর-কিশোরী গ্রেফতা দুহশুহ–কায়েমপুর সড়কের ভাঙা সেতু এখন মৃত্যুফাঁদ দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আমির হোসাইন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে জল্পনা তুঙ্গে ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ রঙ্গ ছড়া

কিংবদন্তি নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে  ইউকে ওয়েলস আওয়ামীলীগের শোক প্রকাশ

কিংবদন্তি নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে

ইউকে ওয়েলস আওয়ামীলীগের শোক প্রকাশ

বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, জাতীয় ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বর্ষীয়ান নেতা, বার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ এর মৃত্যুতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ওয়েলস শাখার সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর, ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মালিক এক যুক্ত শোকবার্তায় গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবারবর্গ এর প্রতি সমাবেদনা সহ মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন যেনো এই ভালোমানুষটিকে জান্নাতবাসী করেন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরুধ জানিয়েছেন।

এদিকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী যুবলীগ ওয়েলস শাখার সভাপতি ভিপি সেলিম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম,সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

শোকবার্তায় ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও যুক্তরাজ্য ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন আমাদের গৌরব ও গর্বের প্রতীক” রাজনৈতিক ইতিহাসের কিংবদন্তির দীর্ঘ সংগ্রামী বর্ণাঢ্য জীবনের জীবন্ত অধ্যায় আজ চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের সেই উত্তাল দিনগুলো, রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা,কিংবা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর অন্যতম প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়া- বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে জড়িয়ে থাকবে উনার নাম।

তাঁর প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তাঁর আপসহীন ভূমিকা তরুণ প্রজন্মকে যুগ যুগ ধরে অনুপ্রাণিত করবে। এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।একজন রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে শুধু একটি নামের বিদায় ঘটে না, বিদায় নেয় একটি ইতিহাস, একটি সংগ্রামী অধ্যায় এবং অসংখ্য স্মৃতি। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ও অংশীদার। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য যে, ইউকে বিডি টিভির বিভিন্ন লাইভ অনুষ্ঠানে একাধিক বার তিনি অংশ নিয়েছেন।এক অনুষ্ঠানে যখন তোফায়েল আহমেদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—মন্ত্রীত্ব, ক্ষমতা, সম্মান—এসবের মধ্যে তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কী? তিনি উত্তরে বলেন ,“বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য।”

তোফায়েল আহমেদের জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্রনেতা হিসেবে গণঅভ্যুত্থানে অবদান, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে রাজনৈতিক দায়িত্ব এবং পরবর্তীতে সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

 

উল্লেখ্য যে, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক সোমবার(১ জুন) বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

 

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আমৃত্যু তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

১৯৬৯-এর ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সেদিন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার সমাবেশে ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’-এর বিশাল গণসংবর্ধনায় তখনকার ছাত্রলীগের সভাপতি ও ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। পরে এই নামটিই হয়ে ওঠে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ অবিস্মরণীয় একটি দিন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের আগে ও পরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংগঠিত রাখতে ছাত্রনেতাদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

তোফায়েল আহমেদের জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্রনেতা হিসেবে গণঅভ্যুত্থানে অবদান, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে রাজনৈতিক দায়িত্ব এবং পরবর্তীতে সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

————————————–

প্রেসবিজ্ঞপ্তির পক্ষে ;

শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার,

দফতর সম্পাদক

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ওয়েলস শাখা,

৩ রা জুন ২০২৬ ইংরেজি,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন