মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবরে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি প্রদান

কবি এস.পি.সেবু, সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি :
মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে এলাকার ১ শত বিশিষ্ট নাগরিকের স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে সিলেটের জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে।
রবিবার (৭ই জুন) সিলেট জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা গ্রামের ৭৬ বছর বয়সী মোঃ চমক আলী ও তাঁর ভাতিজা ৫৯ বছর বয়সী মোঃ হজেপুর আলীর পক্ষে এলাকার বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিথ্যা বানোয়াট একটি ধর্ষণ মামলায় বয়োবৃদ্ধ নিরপরাধ দুইজন ব্যাক্তিকে ফাঁসানো হয়েছে।
এলাকাবাসী আরো দাবী করেন, মোঃ চমক আলী গ্রামের পঞ্চায়েতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বয়স্ক ও প্রবীণ মুরব্বী, যিনি মসজিদ কমিটি, মাদ্রাসা কমিটি ও বাজার কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। যার বয়স প্রায় ৭৬ বছর। মোঃ চমক আলী ও তার ভাতিজা কৃষি শ্রমিক মোঃ হজেপুর আলী (৫৯) কে কম্পানীগঞ্জ উপজেলার রনি খাই ইউনিয়নের শালদিঘা কান্দি গ্রামের একটি সাজানো ও মিথ্যা শিশু ধর্ষণ “মামলায় আসামী করা হয়েছে। মামলা নং ২৪ তারিখ ১৭/০৩/২০২৬ বাৎসরিক নম্বর ৬৮/২০২৬ নারী ও শিশু ধর্ষণ মামলা নং ৬২১/২০২৬ স্মারক নং ২৮/২৬ তাং ১২/০৩/২৬। উক্ত মামলায় ৪নং আসামী মোঃ চমক আলী (৭৬) ও তার ভাতিজা ২নং আসামী কৃষি শ্রমিক হজেপুর আলী (৫৯) উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা গ্রামের বাসিন্দা। উল্লেখিত মামলায় তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ধর্ষিতা বা মামলার বাদীনীর সাথে জীবনে তাদের কোনোদিন দেখাও হয়নি। অথচ বিনা অপরাধে এ মামলায় চমক আলীর ভাতিজা হজেপুর আলী বর্তমানে জেলে আছে। সুষ্ঠ ও সঠিক তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাঠিত হবে।
এলাকাবাসী আরো উল্লেখ করেন, বাদীনীকে দিয়ে মামলাটি করিয়েছেন ৬নং স্বাক্ষীর স্বামী বিশ্বনাথের মোঃ নুরুল আমিন। যার সাথে চমক আলীর জায়গা জমি নিয়ে পুরানো মামলা-মোকাদ্দমা আছে। নুরুল আমিন নিজে বাদী হয়ে চমক আলী ও তার আত্মীয় স্বজনদের উপর ইতিমধ্যে আরো একটি মিথ্যা মামলা বিশ্বনাথ থানায় দায়ের করেছেন।
মিথ্যা অভিযোগ থেকে বৃদ্ধ চমক আলী ও তার ভাতিজা হজেপুর আলীকে অব্যাহতির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন জানান এলাকাবাসী।