October 23, 2026, 1:54 pm
সংবাদ শিরোনাম
বকশীগঞ্জে আদর্শ রানার্স ক্লাবের উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত। চলনবিল মহিষলুটিতে শুঁটকির বাজারে চড়া দাম, লোকসানের আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা নাফ নদীতে ৫০ হাজার ইয়াবা রেখে পালালো কারবারিরা টেকনাফে রাতে এপিবিএন-পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার তিন পলাতক আসামি বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক বেলাল বগুড়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান সুরাইয়া জেরিন রনি এমপির পক্ষ থেকে জামালপুরের বকশীগঞ্জে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত। তাড়াশ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার সাইফুল ইসলাম শুভেচ্ছান্তে মোছাঃ ইতি সরকার স্বামী: মরহুম মিজানুর রহমান বারী সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কাগইল ইউনিয়ন পরিষদ, গাবতলী, বগুড়া। টেকনাফ ও পালংখালীতে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৪

রামেক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নার্স–পুলিশ কনস্টেবলের হাতাহাতি

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক সিনিয়র স্টাফ নার্স ও এক পুলিশ কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসার্জারি ইউনিট-২-এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর মা নূরেসা বেগমকে দাঁতের সমস্যাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন তিনি। যদিও অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম ও ব্রাদার রাকিব আহম্মেদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে অন্যান্য নার্স ও স্টাফরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আমিনুল ইসলামকে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ বক্সের সদস্যরা এসে তাকে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও হাসপাতাল পরিচালকের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। মধ্যরাতে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
ঘটনার বিষয়ে আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, তাঁর মায়ের চোয়াল বসে গিয়ে মুখ বেঁকে যাওয়ার পর তিনি জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখান থেকে অপারেশন থিয়েটার হয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠানো হলেও দায়িত্বরত কেউ প্রাথমিক সহায়তা দিতে রাজি হননি, যা থেকে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার সময়ই তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানানোর পর কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তাঁর ওপর শারীরিকভাবে হামলা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলা করার বিষয়টি বিবেচনা করলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার জেরে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পুলিশ সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আমাদের পেজ লাইক করুন