August 2, 2026, 8:58 pm
সংবাদ শিরোনাম
মানবিক সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখা’র কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের হরিপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​ রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায়; ছেলের গ্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনে সাংবাদিকদের মিষ্টিমুখ করালেন পিতা মোঃ জমির উদ্দিন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনারের সাথে বিশ্বনাথ বার্তার সম্পাদক রাজনের সৌজন্য সাক্ষাত যুক্তরাজ্যে বিশ্বনাথের ইসমাইল হোসেন সিরাজ উদ্দিনের গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রী লাভ যুক্তরাজ্যে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আয়োজন ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের তরুণদের মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু যুক্তরাজ্যে ভিত্তিক ‘‘দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’’ এর উদ্যোগে নেটওয়ার্কিং ও আলোচানা সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​

রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের

স্টাফ রিপোর্টার :-রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন।

পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​

অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন।

এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন।

পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন

রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​