September 11, 2026, 8:12 pm
সংবাদ শিরোনাম
নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ডিসি-এসপির কাছে মানবাধিকারকর্মী আরমানের স্মারকলিপি কমলগঞ্জে পাঁচ শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা এসএসসি-দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে উৎসাহিত করতেই আয়োজন সিংড়ায় ছাত্রদল নেতা কাজলের সঙ্গে একাধিক নারীর ছবি ভাইরাল, ‘এআইয়ের কারসাজি’ দাবি কাজলের BNP Leader Rahmatullah Falls Ill, Seeks Prayers from the Nation বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ফিজিওথেরাপি সেবার মানোন্নয়ন ও বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের দাবি বাংলাদেশ ডিস্ট্রিক্ট কাপ ২০২৬- চ্যাম্পিয়ন মৌলভীবাজার রানারআপ নোয়াখালী রয়্যালস  বিএনপি নেতার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ করায় মানবাধিকার নেতাকে হত্যা ও গুমের হুমকির অভিযোগ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ উদযাপনের ঘোষণা: দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্যের আহ্বান রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী সাঃ এর শুভাগমনের খুশিতে রিয়াদ আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মোসলেমিন কমিটির উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বারবার ক্লোজ হলেও বহাল তবিয়তে এসআই জাহাঙ্গীর: জনমনে প্রশ্ন, কেন নেই বিভাগীয় ব্যবস্থা?

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসআই জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও নিরীহ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ নিয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি এলাকাবাসীর। আগেও শেরপুরে বিতর্কিত ভূমিকা, তবুও বগুড়ায় দায়িত্বে কীভাবে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্টের আগেও এসআই জাহাঙ্গীর বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। এমনকি টাকা না পেলে অনেককে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব অনিয়মের কারণে তাকে একাধিকবার ‘ক্লোজ’ (দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার বা সংযুক্তি পরিবর্তন) করা হলেও কিছুদিন পর আবার তিনি দায়িত্বে ফিরে আসেন এবং পূর্বের মতোই কথিত অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক ভয় ও সম্মানহানির আশঙ্কায় মুখ খুলছেন না ভুক্তভোগীরা তারা বলছেন, সামাজিক সম্মানহানি ও ভয়ভীতির কারণে এতদিন তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাননি। অনেকেই গণমাধ্যমের সামনেও বক্তব্য দিতে অনিচ্ছুক। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তিনি ব্যক্তিগত সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন—কোন ক্ষমতার জোরে টিকে আছেন? স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যখন বারবার একই ধরনের অভিযোগ ওঠে এবং সংবাদ প্রকাশের পরও যদি কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে তা পুরো পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাদের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় হাতে গোনা কয়েকজন বিতর্কিত কর্মকর্তার কারণে পুরো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এ বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। বগুড়াবাসীর একটাই প্রত্যাশা—অভিযোগের ঊর্ধ্বে উঠে নয়, বরং অভিযোগের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বারবার বিতর্কে জড়ানো কোনো কর্মকর্তাকে আর দায়িত্বে দেখতে চান না সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন