August 3, 2026, 5:29 pm
সংবাদ শিরোনাম
আমছুর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাদিক আখতার আহত গোদাগাড়ীতে সাবেদুল হত্যা: খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ  চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত “দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল” ট্রাস্টি সিলেট-২ আসনের এমপি লুনা’র সা‌থে বৃটেনে সাক্ষাৎ বিনিময় মানবিক সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখা’র কমিটি গঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের হরিপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​ রিয়াদে বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায়; ছেলের গ্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনে সাংবাদিকদের মিষ্টিমুখ করালেন পিতা মোঃ জমির উদ্দিন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনারের সাথে বিশ্বনাথ বার্তার সম্পাদক রাজনের সৌজন্য সাক্ষাত

গোদাগাড়ীতে সাবেদুল হত্যা: খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ 

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী হাটে নির্মাণশ্রমিক সাবেদুল ইসলাম (৩৩) হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও এলাকাবাসী।

রবিবার সকালে রাজাবাড়ী হাটে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নিহতের শোকাহত পিতা-মাতা।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর গত ২৬ জুলাই সকাল প্রায় ৬টার দিকে রাজাবাড়ী চেকপোস্টের সামনে, রাজাবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি পুকুর থেকে সাবেদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাবেদুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তাদের দৃঢ় সন্দেহ। তারা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে।

এ সময় নিহতের মা আবিদা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের সঠিক বিচার চাই। খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

নিহতের বাবা কামাল হোসেনও আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার সন্তানের হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা শান্তি পাব না। প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দীন বাবু, নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দীন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক বেদারউদ্দিন বিদুৎ, দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল বাকী মেম্বার, সাবেক ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান, আল আমিন, রবিউল ইসলাম তুহিন, আবু মুসা খুররম সরকার।

কর্মসূচিতে বক্তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীরও একটাই দাবি ছিল, এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​

আমাদের পেজ লাইক করুন

রাজশাহী দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: তদন্তের আশ্বাস বিভাগীয় কমিশনারের আব্দুর রাজ্জাক রাজশাহী। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। গত ২৯ জুলাই (২০২৬) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ডিসি বরাবর দায়ের করা লিখিত আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে নিয়ম মেনে পুকুর খননের কাজ করছিলেন। পুকুরটির মাটি সীমানার বাইরে না নিয়ে কেবল পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছিল।​ অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষণখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়াতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে সুকৌশলে প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে তারা ভেকু মেশিনের ক্ষতিসাধনসহ নানাভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।​ঘটনার বিবরণে বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাত আনুমানিক ৮:৩০ টায় বাগমারা মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে একটি লোবেড ট্রলিতে রাখা এক্সকাভেটর (ভেকু মেশিন) ও দুই ড্রাইভারকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে গাড়ি দুটি আটক রেখে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অজ্ঞাত কারণে ট্রলিটিও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজ্জাক জানতে পারেন, ইমান আলী ও ইব্রাহিম হোসেনের প্ররোচনায় অপরিচিত লোকজনের মাধ্যমে বন্ধ থাকা পুকুরে থাকা তার ভেকু মেশিনেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।​ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ( অতিরিক্ত সচিব) ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।​ তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. ইমান আলী ও মো. ইব্রাহিম হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব শৃঙ্খলা -১ অধি শাখা সুফিয়া নাজিম বলেন চিঠি তদন্ত জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ​