May 17, 2026, 12:54 pm
সংবাদ শিরোনাম
চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া সিরাজগঞ্জ তাড়াশ-রায়গঞ্জ থেকে মাদক নির্মূল করতে জীবন গেলেও যাবে: এমপি আয়নুল হক বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শীর্ষক আলোচনা সভা; বিশ্বনাথে সংরক্ষিত নারী এমপি মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নানের মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে অপপ্রচারের নেপথ্যে রাজমিনার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ, উত্তাল বিশ্বনাথ প্রবাসী অলংকারী ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউ’কের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসর আলী আর নেই

রাজমিনার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ, উত্তাল বিশ্বনাথ

রাজমিনার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ, উত্তাল বিশ্বনাথ

কবি এস.পি.সেবু, সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় রাজমিনা বেগম (২২) নামে এক যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে পৌর শহরের বাসিয়া সেতুর ওপর শ্রীধরপুর ও কাউপুর গ্রামের বাসিন্দারা রাজমিনার হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা থানার এসআই জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহতের চাচা আব্দুল আলী। তিনি অভিযোগ করেন, রাজমিনাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং এতে রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি জড়িত। তিনি বলেন, “রাজমিনাকে দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত করা হচ্ছিল। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ আমার ভাইকে থানায় নিয়ে গিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় এবং পরে এটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে।”
নিহতের পিতা কৃষক রশিদ আলীও একই অভিযোগ তুলে বলেন, “আমি থানায় মামলা করতে গেলে এসআই জহিরুল ইসলাম বলেন— ‘মেয়ে তো মরে গেছে, শেষ। আর কী?’ পরে আমার স্বাক্ষর জাল করে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।” তিনি মেয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুরমান খান বলেন, “যদি অভিযুক্তরা নির্দোষ হয়, তাহলে লাশ উদ্ধারের পর তারা এলাকা ছেড়ে পালাল কেন? আমরা বারবার পুলিশের কাছে গিয়েছি, কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এসআই জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নই এবং নিহতের বাবার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি।” একইভাবে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, “স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিষয়টি আমি নিজেই তদন্ত করছি।”
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল উপজেলার কাউপুর গ্রামের একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন গাছ থেকে রাজমিনা বেগমের ঝুলন্ত অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে ২১ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন