June 10, 2026, 8:32 am
সংবাদ শিরোনাম
মোকামতলায় জোড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার। সিরাজগঞ্জ তাড়াশে অগ্নিকাণ্ডে পুরে ছাই ‘সমকাল পত্রিকা’ অফিস মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবরে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি প্রদান কোতয়ালী থানার সুইপার কলোনীতে অভিযান, গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি গাজীপুরে নারী গ্যারেজ মালিককে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজিয়ে অপপ্রচার, থানায় অভিযোগ রংপুর কোতয়ালী থানার অভিযানে টিউবওয়েল-ফ্যান ও বৈদ্যুতিক তার সহ চোর আটক  লন্ডনের টিউব স্টেশনে নির্মম হামলা: ৪ কিশোর-কিশোরী গ্রেফতা দুহশুহ–কায়েমপুর সড়কের ভাঙা সেতু এখন মৃত্যুফাঁদ দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আমির হোসাইন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে জল্পনা তুঙ্গে ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ রঙ্গ ছড়া

যাদুকাটায় পানি বাড়ার সাথে সাথে  অবৈধভাবে পাড় কেটে বালু উত্তোলনে ব্যাপরোয়া  মালেক বাহিনী।

‎যাদুকাটায় পানি বাড়ার সাথে সাথে  অবৈধভাবে পাড় কেটে বালু উত্তোলনে ব্যাপরোয়া  মালেক বাহিনী।

আমির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার,

সুনামগঞ্জ ‎তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা অধৈত্ব মন্দিরের পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ মালেক বাহিনীর তান্ডবলীলা।
‎প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত নিয়ে যাচ্ছে ইজার বহির্ভূত এলাকা রাস্তার পাশের বালু। যার কারনে নদীর গর্ভে বিলীনের পথে প্রায় ৩০ কোটি টাকার সরকারি উন্নয়নের কাজ ।
‎জানা যায় যাদুকাটা নদীর বালু খেকো চিহ্নিত চাঁদাবাজ মালেক ও তার বাহিনী যাদুকাটা নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে বিন্নাকুলি ও আনন্দ বাজার রাস্তার পাশে অধৈত্ব্য মন্দিরের জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে।
‎ নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনে মালেক ও তার বাহিনীর ব্যাপরেয়া তান্ডবলীলার কারনে লক্ষ লক্ষ মানুষের চলাচলের এক মাত্র রাস্তাটি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকায় রয়েছে। প্রশাসন দ্রুত গতিতে আইনি প্রক্ষেপ গ্রহন না করলে রাস্তাটি ও অধৈত্ব্য মন্দির সুরক্ষিত থাকবেনা এমনটাই আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষেরা।
‎ মালেক বাহিনী যাদুকাটা নদীর অধৈত্ব্য মন্দিরের জায়গায় অবৈধ সেবমেশিন ও মিনি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পণাঁতিত্ব্যের সামনে  চাঁদাবাজি ও নদীর পাড় কেটে  কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করেপ্রতি নিয়ত  নিয়ে যায় এমন অভিযোগের যেন শেষ নেই । এছাড়াও বারকি শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় যেন তার নিত্য দিনের রোল মডেল হয়ে দাড়িয়েছে।
‎আর এসব তান্ডলীলা বন্ধ করতে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকেই প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান সাধারণ শ্রমিকেরা। অন্য দিকে  সরকারের ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের একমাত্র বিন্নাকুলি, আনন্দ বাজার,লাউরেঘর বাজারের যাতায়াতের রাস্থাটি। শুধু তাই নয় ঐতিহ্যবাহী একমাত্র অধৈত্ব্য মন্দিরের আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ণ প্রকল্পের বিল্ডিংগুলি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাস্তা ও মন্দির রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পেপার পত্রিকাসহ টেলিভিশনে একাধিক ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও  জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা এমনটাই জানান স্থানীয়রা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিরীহ দিন মজুর বারকি শ্রমিকদের ধরে জেল জরিমানা করা হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে বরাবরের মতোই থেকে যাচ্ছে মালেক বাহিনী ও তার লোকেরা। প্রশাসন কেন বালু খেঁকো ও যাদুকাটা নদীর চিহ্নত চাদাঁবাজ মালেক বাহিনীর   কেডারদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারছেন না সেটাই এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। পুলিশ প্রশাসন, নৌপুলিশ,ও জেলা প্রশাসক দ্রুত গতিতে মালেক বাহিনীর বালু লুন্ঠন বন্ধ করতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে বিন্নাকুলি,আনন্দ বাজার, লাউরেগড়ের এক মাত্র রাস্তাটি রক্ষা করার উদ্যোগ নিবেন এমনটা দাবী সাধারণ মানুষের। এভ্যপারে বাদাঘাট পুলিশ ফাড়িঁ ইনচার্জ মোঃ নাজমুল ইসলাম জানান যারাই অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের চেষ্টা করবে তাদেরই আইনের আওতায় আনাহবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন