February 11, 2026, 3:53 am
সংবাদ শিরোনাম
ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগের বিরুদ্ধে জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ; তাড়াশে ধানের শীষের প্রচারনায় উপজেলা বিএনপির জনসভা অনুষ্ঠিত “বান্দরবান পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় উন্নয়ন প্রকল্পে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ”। রাজশাহীতে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ জনতার প্রার্থী আব্দুল মান্নানের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন, নেতাকর্মীদের ঢল তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা তাড়াশ উপজেলা মনোহরপুর গ্রামে আবাদি জমিতে জোরপূর্বক সেচ ও প্রাণনাশের হুমকি ‎অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ ‎ বাঁশখালীতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও তাজেদারে মদিনা সুন্নী কনফারেন্স সম্পন্ন দানবাক্স নয়, মানুষের দানেই ৫ হাজারের তাবারুক—ঝিনঝি ফকির শাহ (রহঃ) মাজারে নতুন ইতিহাস

রাজশাহী মেডিকেলে সাপে কাটা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালু

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় ব্যুরো রাজশাহী

দেশে প্রথমবারের মতো শুধু সাপে কাটা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত একটি ওয়ার্ড চালু করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। সাপে কেটে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ এই বিশেষায়িত ওয়ার্ডের উদ্বোধন করেন। হাসপাতালের পুরোনো ক্যান্টিনের জায়গায় ১২ শয্যার হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) মানের এই ওয়ার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে সাপে কাটা রোগীদের শ্বাসকষ্ট, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা ও অন্যান্য জটিলতারও চিকিৎসা হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওয়ার্ডে আটজন পুরুষ ও চারজন নারী রোগীর জন্য শয্যা রাখা হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ওয়ার্ডের বাইরেও সেবা দেওয়া হবে। ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু শাহীন মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি বর্তমানে রাসেলস ভাইপার সাপের বিষ নিয়ে পিএইচডি করছেন, যা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২০৫ জন সাপে কাটা রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৬০ জন বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত ছিলেন, বাকিরা নির্বিষ সাপের কামড়ে এসেছিলেন। হাসপাতালে আসা রোগীদের মধ্যে ৩০ জন মারা গেছেন এর মধ্যে ১০ জন রাসেলস ভাইপারের কামড়ে, বাকিরা কালাচ, কেউটে ও গোখরার কামড়ে মারা যান।

মৃত্যুহার কমাতে ডেঙ্গু, করোনা ও নিপাহ ভাইরাসের মতোই সাপে কাটা রোগীদের জন্যও বিশেষায়িত ওয়ার্ড করার সিদ্ধান্ত নেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহাম্মদ। এ জন্য আগেই চিকিৎসক ও নার্সদের বাছাই করে ‘স্নেকবাইট ন্যাশনাল গাইডলাইন’ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর এইচডিইউ-মানের ওয়ার্ডটি প্রস্তুত করা হয়।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীরা অনেক সময় দেরি করে হাসপাতালে আসেন। আবার আগেও দেখা যেত, বড় ওয়ার্ডের এক কোনায় তাদের চিকিৎসা হতো। এখন আলাদা ওয়ার্ড থাকায় তা হবে না। এটি একেবারেই মেডিকেল ইমার্জেন্সি ইউনিট-এইচডিইউ সুবিধাসহ ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com