May 19, 2026, 4:13 am
সংবাদ শিরোনাম
চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া সিরাজগঞ্জ তাড়াশ-রায়গঞ্জ থেকে মাদক নির্মূল করতে জীবন গেলেও যাবে: এমপি আয়নুল হক বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শীর্ষক আলোচনা সভা; বিশ্বনাথে সংরক্ষিত নারী এমপি মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নানের মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে অপপ্রচারের নেপথ্যে রাজমিনার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ, উত্তাল বিশ্বনাথ প্রবাসী অলংকারী ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউ’কের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসর আলী আর নেই

রাজশাহী মেডিকেলে সাপে কাটা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালু

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় ব্যুরো রাজশাহী

দেশে প্রথমবারের মতো শুধু সাপে কাটা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত একটি ওয়ার্ড চালু করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। সাপে কেটে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ এই বিশেষায়িত ওয়ার্ডের উদ্বোধন করেন। হাসপাতালের পুরোনো ক্যান্টিনের জায়গায় ১২ শয্যার হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) মানের এই ওয়ার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে সাপে কাটা রোগীদের শ্বাসকষ্ট, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা ও অন্যান্য জটিলতারও চিকিৎসা হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওয়ার্ডে আটজন পুরুষ ও চারজন নারী রোগীর জন্য শয্যা রাখা হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ওয়ার্ডের বাইরেও সেবা দেওয়া হবে। ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু শাহীন মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি বর্তমানে রাসেলস ভাইপার সাপের বিষ নিয়ে পিএইচডি করছেন, যা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২০৫ জন সাপে কাটা রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৬০ জন বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত ছিলেন, বাকিরা নির্বিষ সাপের কামড়ে এসেছিলেন। হাসপাতালে আসা রোগীদের মধ্যে ৩০ জন মারা গেছেন এর মধ্যে ১০ জন রাসেলস ভাইপারের কামড়ে, বাকিরা কালাচ, কেউটে ও গোখরার কামড়ে মারা যান।

মৃত্যুহার কমাতে ডেঙ্গু, করোনা ও নিপাহ ভাইরাসের মতোই সাপে কাটা রোগীদের জন্যও বিশেষায়িত ওয়ার্ড করার সিদ্ধান্ত নেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহাম্মদ। এ জন্য আগেই চিকিৎসক ও নার্সদের বাছাই করে ‘স্নেকবাইট ন্যাশনাল গাইডলাইন’ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর এইচডিইউ-মানের ওয়ার্ডটি প্রস্তুত করা হয়।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীরা অনেক সময় দেরি করে হাসপাতালে আসেন। আবার আগেও দেখা যেত, বড় ওয়ার্ডের এক কোনায় তাদের চিকিৎসা হতো। এখন আলাদা ওয়ার্ড থাকায় তা হবে না। এটি একেবারেই মেডিকেল ইমার্জেন্সি ইউনিট-এইচডিইউ সুবিধাসহ ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন