September 4, 2026, 8:13 pm
সংবাদ শিরোনাম
রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী সাঃ এর শুভাগমনের খুশিতে রিয়াদ আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মোসলেমিন কমিটির উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান: টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনুকরণীয় উদ্যোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান সাদিউজ্জামান রুবেলের গল্প : কথার ফেনা বনাম কাজের গভীরতা-এনজিও জীবনের এক খাঁটি সত্য…….তরিকুল ইসলাম ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপির আহ্বায়ক কিরন, সদস্যসচিব আনিস বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নজির আহমেদের প্রার্থিতা ঘোষনা  পীরগঞ্জে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, কুড়িগ্রাম মজিদা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল নয়ন জেল হাজতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পোর্টাল সাংবাদিকদের সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠন NPJA-এর বাংলাদেশ কমিটি ঘোষণা

তাড়াশে রাস্তার বেহাল দশা, মনোহরপুর গ্রাম থেকে পৌওতা পরিমান

Exif_JPEG_420

আলহাজ্ব সরকার টুটুল তাড়াশ সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর থেকে পৌওতা পর্যন্ত  প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচামাটির রাস্তা। সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা-পানি সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ও মাটি মিশে কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো রাস্তা।

এতে বিপাকে পড়েন ওই এলাকার শত শত মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে কাঁচারাস্তাটিতে ইটের ছোঁয়া না লাগায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বারুহাস  ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রাম থেকে পৌওতা গ্রামের বাজার পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিকল্প কোনো পথের ব্যবস্থা না থাকায় হাঁটু সমান কাদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হয় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, বৃদ্ধসহ সবার।

সারা বছরের প্রায় ৫-৬ মাস ভোগান্তির শিকার হতে হয় গ্রামবাসীর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয় তাদের। এই এলাকার মানুষের আতঙ্ক ও ভয়ের আরেক নাম বৃষ্টি। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে হাঁটু সমান কাদা।

কাদার জন্য গ্রামের এ রাস্তায় কোনো ভ্যান-রিকশা ঢোকে না। মোটরসাইকেল, সাইকেলে তো দূরে থাক, খালি পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দায়। বৃষ্টির দিনে গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্সও এখানে ঢুকতে পারে না। অনেক সময় কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে কাঁধে করে কর্দমাক্ত রাস্তা পার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সুজন মাহমুদ মমিন , মোতালেব আকলিমা একাধিক নারী-পুরুষ আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের দুঃখ-কষ্ট, দুর্ভোগের কথা কেউ শুনে না। আমাদের ভোগান্তির কথা বলে বোঝানো যাবে না, নিজ চোখে দেখতে হবে। আমরা ঠিকমতো হাটবাজারে যেতে পারি না। পর্যাপ্ত উৎপাদিত কৃষিপণ্য সময়মতো বিক্রি করতে পারি না। আমাদের ছেলেমেয়েরা কষ্ট করে স্কুল-কলেজে যায়। শুধুমাত্র রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার জন্য গ্রামের ছেলে-মেয়েদের বিয়ে ভেঙে যায় বারবার। জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধর্না দিয়েও কোনো ফল হয়নি।

বারুহাস ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মইনুল হক বলেন, এই রাস্তাটির জন্য এলাকাবাসী খুবই দুর্বিষহ জীবনযাপন করেন। এই রাস্তা  করার জন্য আমি দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি; আমার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি সুনজরে নিয়ে অতিসত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 

এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক  বলেন, এই রাস্তার আগামী বরাদ্দ এলে আমরা অবশ্যই রাস্তাটি পাকা করার চেষ্টা করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন