May 19, 2026, 3:20 am
সংবাদ শিরোনাম
চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া সিরাজগঞ্জ তাড়াশ-রায়গঞ্জ থেকে মাদক নির্মূল করতে জীবন গেলেও যাবে: এমপি আয়নুল হক বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শীর্ষক আলোচনা সভা; বিশ্বনাথে সংরক্ষিত নারী এমপি মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নানের মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত উপজেলা ভূমি অফিসের বরাদ্দকৃত জায়গা দখল করে নিল ডিসি অফিসের নাজির এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে অপপ্রচারের নেপথ্যে রাজমিনার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ, উত্তাল বিশ্বনাথ প্রবাসী অলংকারী ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউ’কের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসর আলী আর নেই

অতি দরিদ্র ২০ শতাংশ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার সুপারিশ

দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আগত মোট রোগীর মধ্যে অতি দরিদ্র ২০ শতাংশ রোগীকে বিনামূল্যে সম্পূর্ণ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন।

 

২০ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ সরকারিতে আর বাকি ১০ শতাংশ রোগীকে বেসরকারি হাসপাতালে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ মে) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশন সদস্যরা এ সব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে দেশের স্বাস্থ্যখাত সংস্কারে ৭টি আইন প্রণয়নের সুপারিশ করেছে কমিশনটি। প্রস্তাবিত এ নতুন আইনগুলো হলো— বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন আইন, বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিস আইন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা আইন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন, ওষুধের মূল্য নির্ধারণ এবং প্রবেশাধিকার আইন, অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল কমিশনার আইন, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কমিশনার আইন।

প্রস্তাবনায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা যেন আর সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পান, সে সুপারিশও করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ, চিকিৎসকদেরকে ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের ওষুধের কথা জানাতে হবে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদেরকে।

২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানকে প্রধান করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

এই কমিশনের সদস্য হিসেবে আছেন জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য ইনফরমেটিক অধিদফতরের অধ্যাপক ডা. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পথিকৃৎ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক লিয়াকত আলী, গাইনোকলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, শিশু স্নায়ুতন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এম এম রেজা, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল) অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, আইসিডিডিআরবি’র বিজ্ঞানী ডা. আজহারুল ইসলাম, স্কয়ার হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, গ্রীন লাইফ সেন্টার ফর রিউম্যাটিক কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, আইসিডিডিআর,বি’র শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য বিভাগের বিজ্ঞানী ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ডিএমসি) শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন