রুমা প্রতিনিধিঃ
স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে জনজীবন সহজ করতে বান্দরবানে রুমায় দুই দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে (১১ জুন ২০২৬) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইএনএসআরএস, বিসিএসআইআর, ঢাকার সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার *ড. অজয় কান্তি মন্ডল*।
তিনি লাগসই প্রযুক্তির সম্ভাবনা, গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞানের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী। তিনি বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষি, পানি ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে লাগসই প্রযুক্তিই হতে পারে মূল চাবিকাঠি। স্থানীয় উদ্ভাবকদের পাশে উপজেলা প্রশাসন সবসময় থাকবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আয়োজনে
সহযোগিতায় ছিল- রুমা উপজেলা প্রশাসন, বান্দরবান ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ – বিসিএসআইআর।
আরো বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার ফরিদুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুকান্ত দেব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ।
পরে প্রধান অতিথি ড. অজয় কুমার মন্ডল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী র নেতৃত্বে অস্থির কর্মকর্তাগণ এবং সুধীনগণ স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (ডেন্টাল) ডা. এ ডি এম রিয়াদ,
উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নিখিল কান্তি দাস, রুমা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শৈহ্লাচিং মার্মা, উপজেলা তথ্য সেবা কর্মকর্তা জুলিয়েট ত্রিপুরা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সিনিয়র সুপারভাইজার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, গালেঙ্গ্যা ইউপি চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো, রুমা আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকসহ স্বাস্থ্য কর্মী সিনিয়র শিক্ষক শর্মীষ্ঠা চাকমা, বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি র উপজেলা কর্মকর্তা সাচিং ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সিনিয়র সুপারভাইজার উদ্দীপন ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
১১-১২ জুন দুই দিনের এই প্রদর্শনীতে স্থানীয় উদ্ভাবকরা তাদের তৈরি বিভিন্ন লাগসই প্রযুক্তি তুলে ধরছেন। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, কৃষি যন্ত্রপাতি ও দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধানের সহজ উপায়গুলো দেখতে উপজেলার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন।
এ ধরনের আয়োজন রুমার তরুণদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলবে এবং স্থানীয় সমস্যার স্থানীয় সমাধান বের করতে উৎসাহ দেবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।