August 24, 2026, 2:39 pm
সংবাদ শিরোনাম
ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, কুড়িগ্রাম মজিদা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল নয়ন জেল হাজতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পোর্টাল সাংবাদিকদের সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠন NPJA-এর বাংলাদেশ কমিটি ঘোষণা আমাশু প্রগতি হাই স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটি অনুমোদন: সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন সিংড়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৪ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নাটোরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন যাচাইয়ের দাবি গডফাদারের’ শেল্টার- ধরাছোঁয়ার বাইরে শাহীন, যুবসমাজ এর ভবিষ্যত নিয়ে আতঙ্কে স্থানীয়রা। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন মহাসচিব তাহের ও যুগ্ম সচিব কামরুল নির্বাচিত এসএসসি ফলে সাফল্য-হতাশার মিশ্র চিত্র: পাস ৬২.২৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেল ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন, ফেল প্রায় ৭ লাখ তথ্য চাইতে আসা গ্রাহকের সাথে অশালীন আচরণ ও হুমকির অভিযোগ, সুনামগঞ্জ পিডিপি’র দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তাড়াশ থানার নতুন ওসি হিসেবে মোঃ ইমাম জাফরের যোগদান, অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা_

খুলনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় তার নিজ পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে।
‎অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৬), পিতা মৃত এম এ কুদ্দুস, মাতা হোসনে আরা বেগম। তার ঠিকানা খুলনার মিউনিসিপাল ট্যাংক রোড এলাকার এপি হোল্ডিং নং ৫০। পুলিশ সূত্রে তার এই ঠিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎জানা যায়, একসময় তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদে উন্নীত হন। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
‎চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনি বাবা-মায়ের স্বাক্ষর জাল করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ জন্য একটি ভুয়া সমঝোতা চুক্তিপত্রও তৈরি করা হয়।
‎তদন্তে জানা গেছে, ব্যবহৃত স্ট্যাম্পগুলো ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা ট্রেজারিতে আসে এবং ৪ মার্চ ক্রয় করা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের তারিখ দেওয়া হয় ১ জানুয়ারি ২০২০—যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তোলে। এ বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে স্বাক্ষর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
‎এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি নিজের ভাই-বোন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করে আসছেন। তার বোন ও বোনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী এবং ভাই একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার।
‎ভুক্তভোগীদের দাবি, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এমনকি নিজের পরিবারের সদস্যদের বাসায় ডাকাতির নাটক সাজানো এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
‎এছাড়া বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিচার বিভাগীয় ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও তিনি একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
‎আরও জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ফোনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তা বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর মাধ্যমেও চাপ সৃষ্টি করতেন।
‎অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে তিনি একটি বড় আর্থিক লেনদেনের চেষ্টাও করেন, যা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাতিল করে।
‎স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন