September 26, 2026, 10:53 pm
সংবাদ শিরোনাম
মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীকে হুমকি ও মানহানি – প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের ছাতকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি। লন্ডনে আগামী ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ তুলে দিল নানিয়ারচর সেনা জোন গাজিপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ একটি ভবনের বিদায়, কিন্তু স্মৃতির নয় – নিকোলাস বিশ্বাস রাউজানে পবিত্র গিয়ারবী শরীফ ও গাউছে পাকের ওরছ অনুষ্ঠিত ন্যায় বিচার – লরেন্স ডি. বিশ্বাস ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান  

ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি।

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি : ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কথিত কমিটি গঠন, সদস্যপদ ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেন, বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও বিষয়টির স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় সাংবাদিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কাজী ফরিদ আহমেদ ঢাকা প্রেসক্লাবের বৈধ সদস্য না হয়েও নিজেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং নতুন কমিটি ও নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে সদস্যপদ, আজীবন সদস্যপদ, মনোনয়নপত্রসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একই প্রতিবেদনে ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র ও নথি তৈরির অভিযোগও তোলা হয়েছে এবং এসব নথির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা নং-৩৯, তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, দণ্ডবিধির ৪২০/৩৮৫/৩৮৬ ধারায় একটি মামলা দায়েরের তথ্য রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে কিছুদিন পরপর কথিত নির্বাচন আয়োজন, মনোনয়নপত্র বিক্রি ও সদস্যপদ দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে কোনো অর্থ নেওয়া হয়ে থাকলে সেই অর্থ কোথায় জমা হয়েছে, কার কাছে গেছে, তার হিসাব রয়েছে কি না এবং অর্থ গ্রহণের বিপরীতে বৈধ রসিদ ও সাংগঠনিক অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, কাজী ফরিদ ঢাকা প্রেসক্লাবের কখনো সদস্য ছিলেন না, অথচ বিভিন্ন সময় আলাদা কমিটি বা নির্বাচন দেখিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে কাজী ফরিদ আহমেদ কোন সাংগঠনিক বা আইনগত ভিত্তিতে নিজেকে ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রমের বিষয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের হুমকি বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে কাজী ফরিদ আহমেদের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া কাজী ফরিদ আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের একান্ত আস্থাভাজন হয়েও রয়েছেন বহাল তবিয়তে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

উল্লেখ্য, ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়ম, জালিয়াতি এবং জাল সনদ তৈরি করার অভিযোগে সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে অতীতে বিভিন্ন মহলে ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগগুলো হলো:
নামের অপব্যবহার ও জালিয়াতি: ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত মূল ‘ঢাকা প্রেসক্লাব’-এর নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহার করে সমান্তরাল বা ভুয়া কমিটি গঠন এবং সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ভুয়া আইডি কার্ড ও সনদ বিক্রি: সাংবাদিকতার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ঢাকা প্রেসক্লাবের লিজেন্ডারি বা আজীবন সদস্যপদের জাল সনদ ও ভুয়া আইডি কার্ড চড়া মূল্যে বিক্রি বা বিতরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন