October 28, 2026, 9:31 am
সংবাদ শিরোনাম
কবি আবুল বশর আনসারীর লেখনী নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত করবে: চিত্রনায়ক হেলাল খান সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত শেষ করতে আরও ৬ মাস সময় দিলেন হাইকোর্ট আজকের রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কি আগামী দিনের স্বৈরতন্ত্রের পথ তৈরি করছে? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে হোয়াইক্যং ৫নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল হক সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের মেডিকেল ক্যাম্প, চার ঘণ্টায় সেবা ২৩২ জনকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তারের পর ছাত্রদল নেতা নয়নের পদ স্থগিত ​প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে শেষ বিদায়: বৃটেন কমিউনিটির শোক সাংবাদিক এম বেলাল উদ্দীন আহ্বায়ক মাওলানা মাছুমুর রশিদ সচিব গর্জনীয়া রহমানিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি সভা বকশীগঞ্জে কাবেরী ৫০ জাত ভুট্টার মোড়ক উন্মোচন। বকশীগঞ্জে আদর্শ রানার্স ক্লাবের উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত।

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা_

খুলনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় তার নিজ পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে।
‎অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৬), পিতা মৃত এম এ কুদ্দুস, মাতা হোসনে আরা বেগম। তার ঠিকানা খুলনার মিউনিসিপাল ট্যাংক রোড এলাকার এপি হোল্ডিং নং ৫০। পুলিশ সূত্রে তার এই ঠিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎জানা যায়, একসময় তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদে উন্নীত হন। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
‎চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনি বাবা-মায়ের স্বাক্ষর জাল করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ জন্য একটি ভুয়া সমঝোতা চুক্তিপত্রও তৈরি করা হয়।
‎তদন্তে জানা গেছে, ব্যবহৃত স্ট্যাম্পগুলো ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা ট্রেজারিতে আসে এবং ৪ মার্চ ক্রয় করা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের তারিখ দেওয়া হয় ১ জানুয়ারি ২০২০—যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তোলে। এ বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে স্বাক্ষর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
‎এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি নিজের ভাই-বোন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করে আসছেন। তার বোন ও বোনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী এবং ভাই একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার।
‎ভুক্তভোগীদের দাবি, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এমনকি নিজের পরিবারের সদস্যদের বাসায় ডাকাতির নাটক সাজানো এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
‎এছাড়া বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিচার বিভাগীয় ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও তিনি একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
‎আরও জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ফোনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তা বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর মাধ্যমেও চাপ সৃষ্টি করতেন।
‎অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে তিনি একটি বড় আর্থিক লেনদেনের চেষ্টাও করেন, যা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাতিল করে।
‎স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎



আমাদের পেজ লাইক করুন