চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বিশিষ্ট দানবীর গরীব দুখি মানুষের কাছের বন্ধু মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রহমান যার অবদানের কথা মানুষ এখনো ভুলেনি, কিন্ত এমন মহৎ ব্যক্তি মরেও অমর হয়ে আছেন তার জোগ্য সন্তানের কারণে।উল্লেখ্য হলদিয়া গ্রামের এই মহৎ ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান ইন্তেকালের পর তার সন্তান আলহাজ্ব জমির উদ্দিন বাবার মাগফিরাত কামনায় এলাকায় একটি উম্মোক্ত কবরস্থান করে দেন যাতে যে কোন মুসলমান দাপন করতে পারবেন তবে আত্নহত্যায় মারা যাওয়া মানুষ ছাড়া।এর পাশাপাশি ঐ এলাকায় একটি মনোরম পরিবেশে একটি জামে মসজিদ স্থাপন করে দেন এর সাথে গরীব অসহায় পরিবারের সন্তানদের জন্য একটি হেফজ খানা তৈরি করে দেন।আমরা খোঁজ নিয়ে দেখি মসজিদ ও মাদ্রাসার নাম প্রখ্যাত সাহাবী হযরত উসমান (রাঃ) নামে নাম করণ করেন।
যানা যায় আলহাজ্ব জমির উদ্দিনের স্থাপিত হেফজ খানাতে নির্দিষ্ট কোটা বা সংখ্যাক শিক্ষার্থীদের তিন বেলা খাবার সহ মাতৃপরিবেশে লালিত শিক্ষার্থীদের যত্নের সাথে পরিচালিত করে আসছেন। গত ১৩ মার্চ শুক্তবার দুই শিক্ষার্থীদের হেফজ সমাপ্ত করায় পাগড়ি প্রধান করেন হেফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ কারী মুহাম্মদ সোলাইমান।পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গর্জনীয়া রহমানিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ আহসান হাবীব কিবলা (মাদ্দাঃজি:আ) হযরত ওসমান রাঃ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জিয়াউল্লাহ হাশেমীর সঞ্চালনায় মাহফিলে বক্তব্য রাখেন হযরত রুস্তম শাহ রাহঃ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ছাহেব, বিশেষ অতিথি ছিলেন গর্জনীয়া রহমানিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম কাদেরী।