সুনামগঞ্জ থেকে জানানো হয় যে, সুনামগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে আনিসুল হক এবং কামরুজ্জামান কামরুল মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাছির উদ্দীন চৌধুরী এবং তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুনামগঞ্জ-১ আসনে আনিসুল হকের নাম ঘোষণা করেন। পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে সুনামগঞ্জ-২ আসনের জন্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকে উভয় প্রার্থী তাদের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, রোববার সন্ধ্যায় বিএনপির প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব স্বাক্ষরের সৌজন্যে ২৭ ডিসেম্বরের একটি নতুন চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই চিঠিতে জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেলকে সুনামগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিছু পরে সুনামগঞ্জ-১ আসনের জন্য কামরুজ্জামান কামরুলের মনোনয়ন সম্পর্কিত আরেকটি চিঠিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
একাধিক মনোনয়ন চিঠি ছড়িয়ে পড়ায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। একই আসনে একাধিক প্রার্থী থাকায় শেষ পর্যন্ত কে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
জিজ্ঞাসা করলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) জি কে গউছ জানান, সুনামগঞ্জের দুইটি আসনে দুইজন করে প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের সময় একজন প্রার্থী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন।