September 26, 2026, 11:02 pm
সংবাদ শিরোনাম
মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীকে হুমকি ও মানহানি – প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের ছাতকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি। লন্ডনে আগামী ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ শেষে সনদ তুলে দিল নানিয়ারচর সেনা জোন গাজিপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ একটি ভবনের বিদায়, কিন্তু স্মৃতির নয় – নিকোলাস বিশ্বাস রাউজানে পবিত্র গিয়ারবী শরীফ ও গাউছে পাকের ওরছ অনুষ্ঠিত ন্যায় বিচার – লরেন্স ডি. বিশ্বাস ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান  

মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীকে হুমকি ও মানহানি – প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের

মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীকে হেনস্তা, অপমান, মানহানি ও অপবাদকারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার :

 

সিলেটে মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীকে হেনস্তা, অপমান, মানহানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের অপবাদ দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখের গ্রহণ সিলযুক্ত একটি অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ তুলে ধরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন মো. জালাল উদ্দীন।

অভিযোগপত্রটি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার বরাবর দেওয়া হয়েছে। এতে অভিযোগকারী তার পারিবারিক বিরোধ, সামাজিকভাবে হেনস্তা, অনলাইনে ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে মানহানি, অর্থ দাবি, বাসায় হামলা ও লুটপাট, মারধর এবং পরবর্তীতে প্রাণনাশ ও অপহরণের হুমকির অভিযোগ তুলে ধরেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভিযোগকারী তাহিয়া বেগমের সঙ্গে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে সম্পন্ন করেন। বিয়ের পর তিনি তাহিয়া বেগমের পূর্বের বৈবাহিক সম্পর্ক ও পারিবারিক বিভিন্ন বিরোধের বিষয়ে জানতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে মামলা-মোকদ্দমা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের কিছুদিন পর অভিযোগকারী অনলাইনে দেখতে পান, ‘তাহিয়া হেলালী’ নামে ফেসবুক ও টিকটকে বিভিন্ন আইডি পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সেখানে তার ও তার পরিবারের ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তার ও পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে তার বাসা থেকে মোবাইল ফোন, টাকা, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তিনি শাহপরান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন। পরে তার পরিবারের একটি নম্বরে ফোন করে তার মোবাইল, টাকা, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের তথ্য উল্লেখ করে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে মোবাইলে থাকা ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায়ও শাহপরান থানায় আরেকটি জিডি করার কথা অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, এরপর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগকারী তাহিয়া বেগমের মা এবং স্থানীয় এক মুরব্বির উপস্থিতিতে বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বিচারপ্রার্থী হন। তবে এর পরদিনই তাহিয়া বেগম ও তার মা কয়েকজন লোককে সঙ্গে নিয়ে অভিযোগকারীর বাসায় গিয়ে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে মালামাল নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী জানান, ঘটনাটি স্থানীয় মুরব্বি ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে অবহিত করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি আরও হেনস্তার শিকার হন এবং তাকে মারধর করে ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কাগজপত্র ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক তার স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্যের কাছেও অভিযোগকারী বিষয়টি জানান বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি সিলেট জেলা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আদালতে মামলা করেন।

এরপর একটি মোবাইল নম্বর থেকে তাকে ফোন করে হত্যা, অপহরণ ও গুমের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন জালাল উদ্দীন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তাকে রাস্তাঘাটে বা শহরে পাওয়া গেলে অপহরণ করে গুম ও হত্যা করার পাশাপাশি তার সন্তানদেরও অপহরণ বা হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয়ভীতি ও গালাগালির অভিযোগও করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী আরও উল্লেখ করেন, এসব ঘটনার কারণে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সন্তানদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা এবং তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগের শেষাংশে জালাল উদ্দীন বলেন, তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য ভবিষ্যতে অপহরণ, গুম, মিথ্যা মামলায় হয়রানি, আঘাতজনিত মৃত্যু কিংবা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হলে অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তাদের দায়ী করা হবে।
সবশেষে তিনি পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগের বিষয়গুলো সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন। তবে অভিযোগপত্রে উত্থাপিত এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বক্তব্য ও অভিযোগ আনা হয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্যও অভিযোগপত্রে পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভরশীল।

আপস-মীমাংসার স্মরণলিপিতে বিরোধ নিষ্পত্তির বিভিন্ন শর্তের উল্লেখ : উল্লেখ্য যে, পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে একটি ‘আপস-মীমাংসা করণীয় স্মরণলিপি’ সম্পাদিত হয়। ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত ওই স্মরণলিপিতে প্রথম পক্ষ হিসেবে মোছাঃ তাহিয়া বেগমসহ কয়েকজন এবং দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে মোঃ জালাল উদ্দিনের নাম উল্লেখ রয়েছে। স্মরণলিপিতে উভয় পক্ষের ঠিকানা যথাক্রমে সিলেটের জৈন্তাপুর ও হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। স্মরণলিপিতে বলা হয়, মোছাঃ তাহিয়া বেগম ও মোঃ জালাল উদ্দিনের মধ্যে ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর শরিয়তসম্মতভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয় এবং ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মোহরানা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ১ লাখ টাকা পূর্বে পরিশোধ করা হয়েছিল বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ ও মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন আদালত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মামলা, অভিযোগ ও আইনি কার্যক্রম চলমান থাকার কথাও স্মরণলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মধ্যস্থতায় বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ
স্মরণলিপি অনুযায়ী, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সালিশ মুরব্বি মোঃ নূরুল্লাহ-এর মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের বিরোধের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। পরে কয়েকটি শর্তের ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আপসনামায় উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় পক্ষ মোঃ জালাল উদ্দিন প্রথম পক্ষকে মোহরানার বকেয়া ১০ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেন। এর ফলে পূর্বে দেওয়া ১ লাখ টাকাসহ মোট মোহরানা ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া মধ্যস্থতাকারীর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে নগদে প্রদান করেন বলেও আপস-মীমাংসা স্মরণলিপিতে উল্লেখ রয়েছে। পূর্বের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের উল্লেখ
আপসনামায় আরও বলা হয়, পরবর্তীতে মোঃ জালাল উদ্দিন জানতে পারেন যে, মোছাঃ তাহিয়া বেগমের পূর্বে রুহুল আমিন নামে একজনের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল এবং ওই সম্পর্কের আইনগত বিচ্ছেদ সম্পন্ন না হওয়ার বিষয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। নথিতে আরও দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পূর্বের স্বামীর বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান ছিল।
তবে এসব বিষয় আপস-মীমাংসা স্মরণলিপিতে পক্ষগুলোর বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; এর সত্যতা বা আইনগত অবস্থান সম্পর্কে নথিটি নিজে কোনো স্বাধীন সিদ্ধান্ত দেয় না। বাসা থেকে মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ স্মরণলিপিতে দ্বিতীয় পক্ষের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, পরবর্তীতে শাহপরাণ এলাকার বাসা থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল গায়েব হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম পক্ষ ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পক্ষের বাসায় গিয়ে তালা ভেঙে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।
নথিতে আরও দাবি করা হয়, ঘটনার পর মোঃ জালাল উদ্দিন বাসায় গেলে তাকে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করা হয় এবং তার প্রথম স্ত্রীকে অন্য এলাকা থেকে এনে বিভিন্ন কাগজপত্র ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ভিডিও ধারণ করা হয়। এছাড়া আপসনামায় অভিযোগ করা হয়, মোছাঃ তাহিয়া বেগম পরবর্তীতে দ্বিতীয় পক্ষের বাসা থেকে তার প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে চলে যান। এ পরিস্থিতিতে মোঃ জালাল উদ্দিন আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল এইডের সহায়তা গ্রহণ করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
তালাক ও ভবিষ্যতে দাবি না করার শর্ত আপস-মীমাংসা স্মরণলিপির পরবর্তী শর্তগুলোতে বলা হয়, দ্বিতীয় পক্ষ আইন অনুযায়ী প্রথম পক্ষকে তালাক প্রদান করবেন এবং তালাকনামা রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করবেন।
একই সঙ্গে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে একে অপরকে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে কোনো দাবি উত্থাপন করবেন না বলেও শর্তে উল্লেখ করা হয়। নথিতে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় পক্ষের দায়ের করা তিনটি মামলা প্রথম পক্ষের খরচে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো মামলা-মোকদ্দমা দায়ের করবেন না—এমন শর্তও আপসনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া উভয় পক্ষের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনো বিরোধ থাকবে না এবং বর্তমানে পারস্পরিক সদ্ভাব বিরাজ করছে বলেও স্মরণলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাড়ি নিয়ে বিশেষ শর্ত আপসনামায় দ্বিতীয় পক্ষের মালিকানাধীন মেট্রো-ক-০৩-৯৮২১ নম্বরের গাড়ি নিয়েও একটি বিশেষ শর্ত রাখা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, উক্ত গাড়িটি প্রথম পক্ষ নেয়নি এবং তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। স্মরণলিপিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি শর্ত পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং উভয় পক্ষের কাছে একটি করে মূল কপি সংরক্ষিত থাকবে।
দুই পরিবারের বিরোধের অবসানের দাবি আপস-মীমাংসা স্মরণলিপির শেষাংশে বলা হয়েছে, সালিশ মুরব্বিদের মধ্যস্থতায় দুই পরিবার শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধের অবসান করেছে। উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ও সুস্থ মস্তিষ্কে স্মরণলিপির বিষয়বস্তু পড়ে, শুনে ও বুঝে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে স্বাক্ষর করে তা সম্পাদন করেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। নথি অনুযায়ী, আপস-মীমাংসা স্মরণলিপিটি ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে সম্পাদিত হয়। প্রতিবেদনগত সতর্কীকরণ: উপরোক্ত অংশে মামলা, লুটপাট, হেনস্তা, পূর্বের বিবাহ, অর্থ লেনদেন ও অন্যান্য ঘটনার যেসব বিবরণ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট আপস-মীমাংসা স্মরণলিপিতে উত্থাপিত বক্তব্য ও শর্তের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এগুলোকে আদালত বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না।

এছাড়া আজ ২৫-২৬-২৭ /০৯/২০২৬ তারিখ অবধি মাওলানা মুফতি জালাল উদ্দিন হেলালীকে বিভিন্ন অচেনা অপরিচিত নাম্বার ও ভূয়া আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মানহানিকর অপবাদ প্রচার করে অপরাধীরা জনগনকে বিভ্রান্তমূলক তথ্য ছড়িয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির মতো নিন্দনীয় কাযর্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, এর থেকে উত্তরণ পেতে আইনের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন মুফতি জালাল হেলালী।

মাওলানা মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালী’র বিরুদ্ধে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও ইন্টারনেটে সকল
অপপ্রচার বন্ধের আহবান জানানো হয়েছে।

অপরাধ প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সংস্থার সিলেট
সিলেট বিভাগীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও জালালাবাদ ইমাম সমিতির, সেক্রেটারি : বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার,
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, খতিব ও ইসলামী বক্তা :
সিলেট বিভাগের কৃতিসন্তান মাওলানা মুফতি জালাল
উদ্দিন হেলালীকে নিয়ে ইদানিং ফেসবুক ও ইন্টারনেটে
ফ্যাসিষ্ট ডেভিল আওয়ামী নিষিদ্ধ গোষ্টিরা নানান বিভান্তকর অপপ্রচার ও মানহানিকর মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রচারকরে জনগনকে বিভ্রান্ত ও তাঁহার মানহানি করার প্রয়াস চালাচ্ছে, যাহা গোয়েবলসীয় মিথ্যাচার,
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামের খেদমতে ধর্ম প্রচারে
নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সব শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে, তিনি ইসলামী সুবক্তা ও
সৎ একজন মানুষ, তাঁকে হুমকি দিয়ে ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে গুজব প্রচারকারীর বিরুদ্ধে তিনি
আইন ও প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়ে সাধারণ ডায়রী করেছেন। ” উলেখ্য যে, সিলেটের মাওলানা মুফতি জালাল উদ্দীন হেলালীর বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে ইসলামী বক্তব্যের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে প্রধান হলো পবিত্র কুরআনের তাফসির, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ, ওয়াজ মাহফিলের ফজিলত এবং মুসলিম সমাজের দৈনন্দিন আমল ও সামাজিক সংস্কার। তিনি অত্যন্ত সাবলীল ও সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের ধর্মীয় জীবন এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে ইসলামের সঠিক বার্তা তুলে ধরেন। (প্রেস বিজ্ঞতি : অত্র সংগঠন)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন