

স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম রুপকার, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নিউক্লিয়াস প্রধান সিরাজুল আলম খানের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘সিরাজুল আলম খানের রাজনীতি ও রাষ্ট্রভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে সিরাজুল আলম খান (এসএকে) ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট। খবর আইবিএননিউজ ।
সভাপতির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট সাংবাদিক লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু সাঈদ খান বলেন- ‘ইতিহাসের মহাকাব্যিক চরিত্র, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নিউক্লিয়াস প্রধান সিরাজুল আলম খানের দেওয়া তত্ত্বের মধ্যে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ লুকিয়ে আছে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার জন্য সিরাজুল আলম খান এখনো প্রাসঙ্গিক। তাকে স্মরণ করা উচিত।’ তিনি বলেন, ‘চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে বড় আওয়াজ ছিল— বৈষম্যের অবসান চাই। কিন্তু গত ১৭মাসে বৈষম্যের অবসান ঘটেনি, বরং বৈষম্য বেড়েছে। নিশ্চয়ই আমাদেরকে নতুন করে ভাবতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা, নব্বই ও চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় বাংলাদেশ গড়তে চাই। মানুষে মানুষে বৈষম্যের অবসান হবে, ধর্মে ধর্মে কোনো বিভেদ থাকবে না— এমন বাংলাদেশ, যেটা আমরা একাত্তরে চেয়েছি; এমন বাংলাদেশ, যেটা জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বপ্ন দেখেছি; সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই এখন সময়ের বড় দাবি। যদি সবার জন্য বাসযোগ্য, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে পারি, তাহলে সিরাজুল আলম খানসহ আরও যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের জীবন-স্মৃতি সম্মানিত ও মহিমান্বিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘ষাটের দশকের টগবগে তরুণ সিরাজুল আলম খান স্বাধীনতার কথা ভেবেছিলেন। আব্দুর রাজ্জাক, কাজী আরেফ আহমেদকে নিয়ে ‘নিউক্লিয়াস’ খ্যাত সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। ৬৬-তে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ৬ দফা দেন, তখন সিরাজুল আলম খানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের নতুন দার খুলে যায়। তিনি ছয় দফাকে এক দফায় (স্বাধীনতার) পরিণত করার ব্রত গ্রহণ করেছিলেন। তিনি তাতে সফল হয়েছিলেন। ৬৬-তে স্বায়ত্ত শাসনের জন্য হওয়া বহুল আলোচিত হরতালে তিনি সংঘবদ্ধভাবে শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করেছিলেন। সিরাজুল আলম খান ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান রচনা করেছিলেন মন্তব্য করে আবু সাঈদ খান বলেন, ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি। স্বায়ত্ত শাসনের আন্দোলনকে স্বাধীনতার সিংহদারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। শেখ মুজিব অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। সিরাজুল আলম খান বুঝেছিলেন, অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ইয়াহিয়ার মোকাবিলা করা যাবে না। তিনি সশস্ত্র প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।’ কামরুদ্দীন আহমদের লেখা থেকে উদ্ধৃতি করে আবু সাঈদ খান বলেন, ‘(১৯৬৯ সালের) জানুয়ারিতে আন্দোলন দুইভাগে বিভক্ত হয়। একদিনে (ধানমন্ডি) ৩২ নম্বর থেকে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলন পরিচালনা করছিলেন। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল থেকে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি হচ্ছিল। ছাত্রলীগের ছেলে-মেয়েদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল। সারাদেশেও (সশস্ত্র ট্রেনিংয়ের) নির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় আমরাও ফরিদপুর থেকে ট্রেনিংয়ে অংশ নেই। চার নেতার বিএলএফ (বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স) গঠনের মধ্য দিয়ে সিরাজুল আলম খান সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাত্তোর সময়ে সিরাজুল আলম খান বুঝতে পেরেছিলেন, এখনো স্বাধীনতার আরাধ্য স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। অনেক কাজ অপূর্ণ রয়ে গেছে। তাই তিনি তখন বিপ্লবী জাতীয় সরকারের ডাক দিয়েছিলেন। বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দলীয় সরকার গঠন করেন। সেই সরকার কোন দলীয় সরকার? যে অংশ মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা পালন করেননি। তাজউদ্দীন আহমদকে বাদ দিয়ে খন্দকার মোশতাক আহমেদ, তাহেরউদ্দিন ঠাকুরদের নিয়ে তিনি সরকার গঠন করেন। সেই সরকার ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের সরকার। সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিরাজুল আলম খান রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা বলেছেন, সাথে ধারাবাহিকভাবে এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে কীভাবে পরিবর্তন করা যায় সেটিও ভেবেছিলেন। বিভিন্ন পুস্তিকার মাধ্যমে সবার কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন কেবল জাসদকে দিয়ে এটি হবে না। তাই তিনি সব দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এমনকি স্বৈরশাসক এরশাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন যে, স্থানীয় সরকার গড়ে তোলা যায় কি না। পরে এরশাদ স্থানীয় সরকার গড়ে তুলেছিলেন। কর্নেল তাহেরের ফাঁসির মধ্য দিয়ে বিএনপি-জিয়াউর রহমানের সঙ্গে জাসদের দূরত্ব শুরু হয়। তা সত্ত্বেও তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, গ্রাম সরকার করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি বুঝেছিলেন, দলের রাজনীতি আর রাষ্ট্রের রাজনীতি আলাদা। জাতীয় রাজনীতি সবাইকে মিলে করতে হবে। সে কারণে তিনি শুধু জাসদে নিজেকে নিয়োজিত রাখেননি। তিনি জাসদের চৌহদ্দি থেকে বেরিয়ে তিনি রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। সেই বক্তব্য তিনি সরকার, বিরোধী দল সবার সামনে হাজির করেছেন।’
বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন- ‘সিরাজুল আলম খান আমাদের জনক এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। তিনটা ভাগে তাঁকে আলোচনা করা যায় এবং প্রতিটি ভাগই খুব গুরত্বপূর্ণ। প্রথমটি ৬০ এর দশকে যখন বাঙালি জাতীয়তাবাদের আন্দোলন বড় হচ্ছে এবং ক্রমন্নয়ে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে ধাবিত হচ্ছে এবং মুক্তির দিকে যাচ্ছে। যদিও সেখানে গন মানুষের গন নেতা ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কিন্তু আমাদের মাঠের ও ভিতরের নেতা ছিলেন সিরাজুল আলম খান। এটা যারা পাঠ্যপুস্তক লিখে কিংবা ইতিহাস জানে তারা সবাই স্বীকার করে। জয় বাংলা স্লোগান, দেশ স্বাধীন সহ সকল কিছুতে তাঁর ভুমিকা রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যারা এতদিন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ফেরি করে চললেন তারা এটা স্বীকার করতেন না।
নাজমুল হক প্রধান বলেন দেশ স্বাধীনের পরে সিরাজুল আলম খানের দ্বিতীয় অধ্যায় সামনে আসলো। এই সদ্য স্বাধীন দেশটা চলবে কেমন করে। তিনি চেয়েছিলেন এই দেশটা চলবে নতুন আইন কানুন দ্বারা, নতুন ধ্যান ধারনাতে। তিনি চেয়েছিলেন একটি জাতীয় সরকার গঠন হোক কিন্তু দুর্ভাগ্য যারা তখন ক্ষমতা গঠন করেছিলেন তারা সেটা বুঝলেননা এবং মানলেননা। তারা চেয়েছিলেন সবাই শুধু তাদের কথায় ‘হ্যাঁ হ্যাঁ’ করে যাক। কিন্তু সিরাজুল আলম খান সেটা মানতে নারাজ ছিলেন কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্র শুধু ‘হ্যাঁ’ এর নয়, গণতন্ত্রে ‘না’ বলতে পারতে হয়। তিনি বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্র মানে অন্য কারো দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে নিজের মতামত নিজের মত করে দিতে পারা। এই কারণেই সিরাজুল আলম খান একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছিল যার নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ। আমরা সেই সময়ের বেশির ভাগ তরুণ সেই জাসদে যোগ দেই। সেই দলটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবার্তন করতে চেয়েছিল এবং গনতান্ত্রিক রাজনীতি করতে চেয়েছিল। দলটা ছাত্র সংঘের নির্বাচন করতে গেছে, পার্লামেন্টারি নির্বাচন করতে গেছে কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাশীন গোষ্টি জাসদকে সেটা করতে দেয় নাই এবং গনতান্ত্রিক কোন আচরন জাসদের সাথে করে নাই। এবং সেই যে শুরু হয়ে ছিল অগনতান্ত্রিক আচরন তারই প্রেক্ষাপট আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আরো বলেন- রাজনীতি বাক প্রতিবাদের, রাজনীতি প্রতিরোধের, রাজনীতি আলোচনার, রাজনীতি সমালচনার কিন্তু আমাদের তৎকালীন শোষক গোষ্ঠি আমাদের রাজনীতিকে প্রতিহিংসার দিকে নিয়ে গিয়েছে। যে কারণে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে রক্তাক্তভাবে, যেটা সিরাজুল আলম খান কখনো চাননি। পঁচাত্তর পরবর্তীতে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব হাজির করেছিলেন। আমরা (জাসদ) সেটা নিয়েও বিভক্ত হয়ে গেছি। এই দোষ উনার না। আমরা নানা কারণে বিভক্ত হয়েছি।
সিরাজুল আলম খানের ভাতিজি ও ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান বলেন, ‘সিরাজুল আলম খান নামটির সঙ্গে বাংলাদেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৬২ সালে গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ গঠন হয়েছিল। নিউক্লিয়াস স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিল। তাদের নয় বছরের চেষ্টার ফল আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। আমাদের সশস্ত্র যুদ্ধে শুধুমাত্র রাজনীতিবিদরা যুদ্ধ করেননি। ছাত্র, যুবক, কৃষক সহ সাধারন জনগন সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন। কিন্তু যে কারণে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন, সেই স্বপ্নের সোনার বাংলা স্বাধীনতার পর গঠিত হয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর একটি দলীয় সরকার গঠিত হলো। সেই কারণেই সিরাজুল আলম খান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজনৈতিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ গঠন করেছিলেন।’ তিনি সেই সময় শেখ মুবিবর রহমানকে ১৫ দফার একটি সুপারিশ নামা দিয়েছিলেন যেখানে সকলকে নিয়ে নতুন আইন নতুন প্রসাশন দ্বারা একটি সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সিরাজুল আলম খান কে ফিরতে দেওয়া হয়েছিল এবং শুধুমাত্র একটি দলের সদস্যদের নিয়ে একটি দলীয় সরকার গঠন করা হয়েছিল এবং অন্য সকল মত দমন করা শুরু হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে যখন জাসদের সমর্থিত প্রার্থিতা জয়ী হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিল তখন কুমিল্লা থেকে ব্যালট বক্স হাইজ্যাক করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ঢাকা এনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী খন্দকার মোস্তাককে জয়ী ঘোষনা করা হয়। এই সেই আওয়ামীলীগের খন্দকার মোস্তাক কে শেখ মুজিবর রহমান সহ তাঁর পুরো পরিবার নিহত হওয়ার পর ক্ষমতায় বসেছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো আওয়ামীলীগ ১৯৭৫ থেকে আজ পর্যন্ত নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সিরাজুল আলম খান ও জাসদকে দোষ দিয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমরা আমাদের সকল রাজনৈতিক নায়কদেরকে সঠিক সম্মান দেইনি। যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে, আমরা সেই দলের নেতাকেই স্বাধীনতার নায়ক বানানোর চেষ্টা করেছি। আর সিরাজুল আলম খানের মতো স্বাধীনতার সত্যিকারের নায়কদের আমি মরা আড়ালে ফেলে দিয়েছি। বরং তাঁকে আমরা অপমান অপদস্ত করেছি এবং তাকে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ নামেও ডাকা হয়েছে তারই স্বাধীন করা এই বাংলাদেশে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো এটা কখনো চাপা রাখা যায় না। আজ হোক, কাল হোক, সত্যি প্রকাশ হবেই। তাই আমার বিশ্বাস ইতিহাস তার নায়ক সিরাজুল আলম খান দাদাকে তার নিজস্ব ও প্রাপ্য স্থানে নিয়ে যাবে।’ ব্যারিস্টার ফারাহ খান আরো বলেন- সিরাজুল আলম খান (এসএকে) ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট, এই সংগঠনটি আমাদের জন্য অন্য রকম এক অনুভুতির জায়গা। কারণ সিরাজুল আলম খান তাঁর ৮২ বছরের জীবদ্দশায় নিজের নামে কখনো কিছু করেননি কিংবা কাউকে করতে দেননি। কিন্তু এই সংগঠনটি তাঁর জীবদ্দশায় গঠিত একমাত্র সংগঠন যেটা অনেকটাই তাঁর পরিকল্পনা ও তত্বাবধানে হয়েছে। এই সংগঠনে দলমত শ্রেনী পেশা নির্বিশেষে সিরাজুল আলম খানের সকল শিষ্য, শুভাকাঙ্খী ও শুভানুধ্যায়ী আমন্ত্রিত।
সাবেক ছাত্রনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ তার বক্তব্যে বলেন শেখ মুবিবর রহমানকে সিরাজুল আলম খান ও আমরা বঙ্গবন্ধু উপাধী দিয়েছি, আমাদের স্লোগান জয় বাংলা। সিরাজুল আলম খান না থাকলে আজ বঙ্গবন্ধু নামে কেউ হতো না। অন্যান্য বক্তারাও স্বাধীনতার আগে ও পরে দেশ ও জাতি গঠনে সিরাজুল আলম খানের নানা ভুমিকা তুলে ধরেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান এবং সভা সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান। সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ছাত্রনেতা বাংলাদেশ জাসদের সাধারন সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সাবেক ছাত্রনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সিকদার, ইসমাইল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, খোরশেদ আলম, আব্দুল মজিদ অন্তর, প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, সাইদুল্লাহ রুমি, সাঈদ তারেক, মোকলেসুর রহমান লবু, মোহাম্মদ উল্লাহ মধু, তারভীর আজাদ, এফ এম নিলাভ পারভেজ সহ দাদার অসংখ্য শুভাকাঙ্খী।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 0044 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (আর্তমানবতার সেবায়) নগদঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩